আমি খুব সাধারন ব্যাক্তি,আমি সব সময় নতুন কিছু শিখতে আগ্রহী এবং নিজে যা কিছু শিখতে পারি তাহা অন্য মানুষকে শিখাতে আনন্দ পাই।

  • সমস্ত পোষ্ট:9
  • সমস্ত মক্তব্য:13

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ

প্রতিদিন আমরা নূন্যতম ২৫ টিরও বেশী পণ্য ব্যবহার করে থাকি।এই সকল পণ্য সমূহ কোনটাই আমরা সাধারনত উৎপাদন করি না।এই পণ্য সমূহ উৎপাদনকারী থেকে ভোক্তা পর্যন্ত আসার পুরো প্রক্রিয়াকেই মার্কেটিং বা বিপনন বলে। বিপননের ব্যাপারে পরিস্কার ধারনা পেতে পণ্য বিপননের বিভিন্ন যুগের কথা একটু জেনে নেই,

উৎপাদন যুগঃ

এটির সময়কাল ১৯২০ সাল পর্যন্ত ছিল।যখন পণ্য উৎপাদন করাটাই ছিল কঠিন।যারা উৎপাদন করতে পারত,ক্ষমতা তাদের হাতেই ছিল কারন একটি পণ্য কিভাবে উৎপাদন হয়,এই ফর্মুলা ছিল কিছু লোকের হাতে।এক্ষেত্রে ৪টা বিষয়ের দিকে নজট বেশি দেয়া হত।Product,Price,Place,Promotion.

বিক্রির যুগঃ

১৯২০ সাল থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত ছিল বিক্রির যুগ।যখন অনেকেই পণ্য উৎপাদন করতে পারত।তখন শুধু উৎপাদনের ক্ষমতা দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যেত না।তখন শুরু হল বিজ্ঞাপনী প্রচারনা।তখন যে কম্পানি ভালো বিজ্ঞাপন উপস্থাপন করতে পারত,সেই কম্পানির পন্য ভালো চলত।এক্ষেত্রে জোর দেয়া হত,Sustaining,Targeting,Positioning.

বিপনন যুগঃ

১৯৫০ এর পর থকে পণ্য বিপননের এই ধারাও বদলে গেল।এবং শুরু হল এক নতুন যুগের।যেখানে ক্রেতা বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয় না।বাজারে খুব বেশি প্রতিযোগিতা শুরু হল।তখন ক্রেতার মন রক্ষা করাই হল কোম্পানিগুলোর প্রধান কাজ।এবং শুধু তাই নয়,ক্রেতা কি চায় তা খুজে বের করা এবং তাই অভাব পূরন করা হল কোম্পানি গুলোর মূল লক্ষ্য। অর্থাৎ ক্রেতাকে শুধুই ক্রেতা নয়,বরং একজন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা।ফিলিপ কটলার এই (Marketing)নিয়ে একটা বই লিখেছেন “New Marketing era in Region” এই যুগের অন্যতম এই বিপনন ব্যবস্থার নামই হচ্ছে “Network Marketing”

বিখ্যাত লেখক এবং নেটওয়ার্কার “John Milton Fogg এর ভাষায়, ”’Network Marketing Combines two of the most powerful forces at work in our world tody”’. অর্থাৎ নেটওয়ার্ক এবং মার্কেটিং, এই দুটি শক্তিকে একত্রিত করে যে শক্তিটি কাজ করেছে তাই হল নেটওয়ার্ক মার্কেটিং।

এর সংজ্ঞা বিভিন্ন ভাবে দেয়া যায়,তবে এক কথায়,কোন পণ্য বা সেবা,কোন ক্রেতার কাছে দ্রুত এবং সহজে,কোন ব্যাক্তি,দল বা নেটওয়ার্ক এর মাধ্যামে পৌছে দেবার পদ্ধতিকেই নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বলে।

এটাকে হোম বেজ মার্কেটিং, মাল্টিলেভেল মার্কেটিং,ডাইরেক্ট সেলিং,ফ্রিডম এন্টারপ্রাইজ ইত্যাদি নামেও ডাকা হয়।

এর উদ্ভব হয় আনুমানিক ১৯৪০ সালে।উদ্ভাবক ছিলেন ডাঃ কার্ল রেইন বোর্গ।

দীর্ঘ চরাই উৎরাই পেরিয়ে ১৯৫৮ সালে এটি আমেরিকান পার্লামেন্ট ফ্রান্সাইজ মার্কেটিং সিস্টেমের পাশাপাশি ১০ ভোট বেশী পেয়ে স্কীকৃতি পায়।

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কে বিল ক্লিনটন।

তারপর থেকে বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ২০০ টি দেশে প্রায় ৩০ হাজার কম্পানি এ সিষ্টেমে ব্যবসা করছে।

Bill Gets বলেছেন “If i would be given a chance to start all over again,I would choose Network Marketing”

এই নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এত জনপ্রিয় হওয়ার পিছনের কারনগুলো হলঃ

১) বিনা পুজিতে ব্যাবসা করার সুযোগ।

২) কোন অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই।

৩) অল্প সময় বিনিয়োগ করেই শুরু করা যায়।

৪) কোন ঝুকি নেই।

৫) কোন নির্দিষ্ট স্থান,কাল,পাত্র নেই।

৬) রয়েছে নিশ্চিত এবং স্থায়ী আয়ের সুযোগ।

৭) প্রচুর মানুষের সাথে বন্ধুত্ব হওয়ার এবং তাদের সাহায্য করার সুযোগ।

৮) দ্রুত অভসর গ্রহনের সুযোগ।

৯) প্রচুর সম্মান।

১০) প্রচুর অর্থ উপার্জন করার সুযোগ ইত্যাদি

তাই সবার প্রতি আমার আহবান থাকবে,নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কে জানুন বুঝুন।গঠনমূলক মন্তব্য করুন।সব কাজ সবার ভালো লাগবে না,তাই বলে সেই কাজ খারাপ হয়ে যায় না।অনেকেই মনে করেন যে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং দ্রুত বড়লোক হবার কোন সিস্টেম। তাদের উদ্দেশে বলছি,নেটওয়ার্ক মার্কেটিং দ্রুত বড়লোক হবার কোন সিস্টেম নয়।অন্য সব বিপনন ব্যাবস্থার মত এটিও একটি বিপনন ব্যাবস্থা।

এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।আমরা আপনাকে একটা নির্দিষ্ট,সুনামধন্য কম্পানির সাথে পরিচয় করিয়ে দেব,যে কম্পানিটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সারা বিশ্বের ২০০ দেশের মানুষের মন জয় করেছে।

বন্ধুরা ভুলে ভরা জীবনে ভুল হওয়াটাই সাভাবিক,আমার লেখায় যদি কোন ভুল হয়ে থাকে,তাহলে ক্ষমা করবেন)এবং এই পোস্ট যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। আর যদি এই ধরনের আরো ভালো কিছু আপনার জানা থাকে তাহলে এই সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে আপনিও শেয়ার করতে পারেন।আপনার নাম রেজিষ্ট্রেশন করতে চাইলে

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।